দক্ষিণ কোরিয়ায় ইসোর ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

দক্ষিণ কোরিয়ায় ইসোর ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

দক্ষিণ কোরিয়ায় ইসোর ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন ইপিএস স্পোর্টস এন্ড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন (ইসো)–এর ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ গ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ২৫ জানুয়ারি, রবিবার, দক্ষিণ কোরিয়ার হোসাংসি শহরের বিয়ংজম মাল্টিকালচারাল সেন্টারে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানটি বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলমান থাকে। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আকন মিলন–এর সঞ্চালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইসোর সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বিভিন্ন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন— HRD কোরিয়া কর্তৃক ইপিএস কর্মীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (KBIZ)-এর প্রশিক্ষক শেখ মুরাদ হোসাইন, ই–৯ ট্রাভেলস–এর স্বত্বাধিকারী মাসুদ মিয়া, সিলেট কমিউনিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুর রহমান বশির, হানপাস রেমিট্যান্স–এর কান্ট্রি ম্যানেজার সাদিয়া আফরিন, এছাড়াও আরও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তব্যে অতিথিবৃন্দ ইসোর পাশে থেকে সংগঠনটিকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং নবনির্বাচিত কমিটির প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান। অনুষ্ঠানে ইসো কমিউনিটির সম্মানিত উপদেষ্টা সাইদুর রহমান মিঠু এবং কোরিয়ান উপদেষ্টা লি ইয়ংগুন (ইসানিম)–এর উপস্থিতিতে সদ্য বিদায়ী সভাপতি মোবাশশের হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মুহাম্মদ ফয়সাল আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত সভাপতি আল আমিন ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব বর্মন–এর নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

এছাড়াও নবগঠিত কমিটির সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান শেখ মুরাদ হোসাইন ও সাবেক সভাপতি মোবাশশের হোসেন। অনুষ্ঠানে ইসোর বিগত বছরের কার্যক্রম ও অর্জনসমূহ সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়। নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি আল আমিন ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব বর্মন তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বিগত বছরের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ইসোকে একটি শক্তিশালী, মানবিক ও কল্যাণমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা হবে। দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত ইপিএস কর্মীদের সার্বিক কল্যাণে ইসো সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।