সিএমএফ এর গঠনতন্ত্র
সিএমএফ এর গঠনতন্ত্র নিম্নরূপ:
১.সি.এম.এফ. এর সকল সদস্য চকমান মাদ্রাসার ছাত্র হতে হবে। ছাত্র ব্যাতীত অন্য সকলে দাতা হিসাবে গণ্য হবে ।
২. সি.এম.এফ. এর সকল সদস্যকে মাসিক ১০০ টাকা করে জমা দিতে হবে। সদস্য চাইলে বেশি দিতে পারবে।
৩. চাঁদার টাকা প্রতি মাসের ১৫ তারিখ এর মধ্যে ক্যাশিয়ারের নিকট জমা দিতে হবে।
৪. যে সদস্য বিকাশ এ টাকা পাঠাবে তাকেই বিকাশ এর সার্ভিস চার্জ দিতে হবে , কিন্তু যারা ক্যাশিয়ারের কাছে সরাসরি জমা দিবে তাদের কোনো সার্ভিস চার্জ দিতে হবে না
৫.আট সদস্য বিশিস্ট কমিটি গঠন করা হবে। অনলাইন অথবা অফলাইনে ভোট এর মাধ্যমে সকলের মতামত এর ভিত্তিতে। কিন্তু উক্ত কমিটির সদস্যদের মধ্যে ভুল ভ্রান্থী দেখা দিলে সকল সদস্যদের সম্মতি ক্রমে পরিবর্তণ করতে হবে।
কোন সিদ্ধান্তে দ্বিমত থাকলে সেক্ষেত্রে অধিকাংশের মতামত প্রাধান্য পাবে।
৬.সভাপতিকে যথাযত মূল্যায়ন করতে হবে। তার কথা কমিটির সকলের মানতে হবে।
৭.কোনো সদস্য যদি চলে যায় তার কারণ দর্শাতে হবে।
৮.প্রতি চার মাস পর পর সভা ডাকা হবে যেখানে কমিটির সকল সদস্য উপিস্থিত থাকতে হবে। কেউ যদি অনুস্পস্থিত থাকে তাকে সভাপতিকে তার কারণ দর্শাতে হবে।
৯. পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত ব্যাতীত কোন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হবেনা।, সভাপতির কোনো একক সিদ্বান্ত গণ্য করা হবে না।
১০.ফাউন্ডেশনের সকল কার্যক্রম সদস্যদের নিজস্ব অর্থে পরিচালিত হবে। এছাড়া অন্যের অনুদান গ্রহণযোগ্য।আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি জবাব দিতে বাধ্য থাকিবে ।
১১.কোন সদস্য ব্যাক্তিগত চরিতার্থ করার জন্য সংগঠন বিরোধী কোন কাজ করতে পারবে না। সদস্যদের নিজস্ব অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
১২.প্রত্যেক সদস্য মতামত ব্যক্ত করতে পারবে এবং সবার সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হবে।
১৩.ফাউন্ডেশন সম্পর্কিত সকল তথ্য জানার অধিকার সকল সদস্যের থাকবে। বহিঃস্থ কোন সিদ্ধান্ত গ্রহনযোগ্য নয়, তবে নির্দেশনা কাম্য যা বিবেচনাধীন হবে।
১৪.কোন সদস্য ভুল কিছু উপস্থাপন করলে অন্যরা ভদ্রতায় তার সমাধান করবে।
১৫.কোন সিদ্ধান্ত পুর্নবিবেচনার ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
১৬.কোন দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে যোগ্য সদস্য নির্বাচিত হবে।
১৭.দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি তার কাজে ব্যর্থ হলে তাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।
১৮.ফাউন্ডেশনের গোপন কোন তথ্য সদস্য ব্যাতীত বহিঃস্থ কারো সাথে আলোচনা করা যাবে না। কোন কাজের জন্য ফাউন্ডেশন বহিঃস্থ কারো কাছে জবাবদিহি করবে না। ( যদি নীতি বিরোধী না হয় )
১৯.পরিচালনা পর্ষদের কোন সদস্য গত হলে যোগ্য সদস্য স্থান পাবে।
২০.বার্ষিক সকল অনুষ্ঠানের ব্যাপারে ফাউন্ডেশন নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিবে। ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানে প্রত্যেক সদস্যের উপস্থিতি কাম্য। কারো সমস্যা থাকলে অনুষ্ঠানের পূর্বে তা জানাতে হবে।
২১.প্রত্যেক সদস্য কে ফাউন্ডেশনের প্রতি আন্তরিক হতে হবে। সামাজিক সকল কর্মকান্ড পরিচালনা ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য।
২২.ফাউন্ডেশনের সকল নিয়ম কানুন প্রত্যেক সদস্য মানতে বাধ্য। কোন সদস্য ফাউন্ডেশ বিরোধী কোন কাজ করতে পারবে না।
২৩.ফাউন্ডেশনের প্রতিটি নিয়ম সকল সদস্যের জন্য সমান ভাবে প্রযোজ্য।
২৮.ব্যক্তিগত মনোমালিন্য পরিহার করে একসাথে কাজ করতে হবে। ফাউন্ডেশনকে
এর উর্ধ্বে রাখতে হবে।ভবিষ্যত পরিকল্পনায় সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে।
২৫. ফাউন্ডেশনের ফান্ড থেকে কোনো সদস্যকে টাকা ধার দেয়া হবে না। কারণ টাকা ধার এর কারণে সকলের সাথে মনমালিন্য হতে পারে। অতএব যদি কেহ গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হন তাহলে সকলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ফান্ড থেকে তাকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে,যা পরিশোধ করতে হবে না।












