ফারান বায়তুল ফালাহ মসজিদে ইপিএস এর সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত।
ইপিএস এর সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার
উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়াতে সফরে আছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব সারওয়ার আলম।
গতকাল রাতে ইপি এস ভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে ফারান বায়তুল ফালাহ মসজিদে, বৈঠক করেন তিনি।বৈঠকে ইপিএস এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। আলোচনা গুরুত্ব পায়, দক্ষ কর্মী প্রেরণ,জামানত প্রথার সংস্কার,কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাপনার সংস্কার, ইপি এস কর্মীদের রোস্টারের মেয়াদ বৃদ্ধি, দূতাবাসের সার্ভিসের উন্নতি সহ প্রবাসীদের লাশ সরকারি খরচে দেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে।
এছাড়াও তিনি দক্ষিণ কোরিয়াতে শ্রমবাজার ধরে রাখার জন্য কোরিয়ার বিভিন্ন সংস্থার সাথে বৈঠক করেন বলে জানান সারওয়ার আলোম।
তিনি আরো জানান ইপিএস এর পাশাপাশি স্টুডেন্ট ভিসা বৃদ্ধি এবং দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। আশাকরা যায় বাংলাদেশীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে দক্ষিণ কোরিয়াতে।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হন মো. সারওয়ার আলম।
২০২০ সালের ৯ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয় তাকে।
বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন জনাব সারওয়ার আলোম।
বাংলাদেশ সরকার এবং দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মধ্যে ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় ‘জি-টু-জি’ (Government to Government) ভিত্তিতে ইপিএস (Employment Permit System) কর্মসূচি চালু হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বোয়েসেল (BOESL) এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে এইচআরডি কোরিয়া (HRD Korea) দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে আসছে। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ৩৬,২২৪ জন বালাদেশি কর্মী স্বল্প অভিবাসন ব্যয়ে উচ্চ বেতনের কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে বলে জানায় বোয়েসেল।
এ সময় বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিল বোয়েসেলের মহাব্যবস্থাপক নূর আহমেদ, আইটি সহকারী মহাব্যবস্থাপক নূরুল ইসলাম কিরন ও বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম সচিব মিকন তংচংগ্যা।













